ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে আমি নিজে আবেদন করেছি। পরিক্ষা উত্তির্ন হয়েছি, চুড়ান্ত দাপে, ভেরিফিকেশোন হবার পরে, অপেক্ষমান দের ভেরিফিকেশোন হয়ে, রেজাল্ট হওয়ার আগমুহূর্তে আমাকে চুড়ান্ত দাপ থেকে, অপেক্ষমাণ ধাপে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। কার ইন্দনে আমাকে চুড়ান্ত থেকে অপেক্ষমান ধাপে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে?
কিন্তু ফলাফল প্রকাশের পর যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত হতাশাজনক ও দুঃখজনক। অভিযোগ উঠেছে—দলীয় ত্যাগী ও মাঠের কর্মীদের উপেক্ষা করে সিনিয়র কতিপয় নেতা কৌশলে নিজেদের আপনজনদের সুযোগ করে দিয়েছেন।
প্রশ্ন হলো—যারা এই কাজ করেছেন, তারা কি কখনো ছাত্রদলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে জবাব দিতে পারবেন?
ছাত্রদল কি শুধু মিছিল-মিটিং, মামলা-হামলা কিংবা নির্বাচনের সময় মাইর খাওয়ার জন্য?
নির্বাচনের সময়ে যে ছেলেগুলো রাত-দিন এক করে ধানের শীষের পক্ষে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে, প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের জন্য কাজ করেছে—আজ সুযোগের সময় তাদেরই যদি ছুড়ে ফেলা হয়, তাহলে এটা কেমন ইনসাফ?
ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে যদি আত্মীয়তা, ব্যক্তিগত পরিচয় কিংবা প্রভাবকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, তাহলে মাঠের কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক।
পুরো গোপালপুর উপজেলার ফ্যামিলি কার্ড শুমারির প্রকাশিত ফলাফলের বিষয়ে আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এই ফলাফলকে ঘৃণ্যভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।
আমরা চাই—স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রকৃত ত্যাগী ও যোগ্যদের মূল্যায়ন করা হোক। দলীয় কর্মীদের প্রতি অবিচার নয়, তাদের ত্যাগের যথাযথ সম্মান দেওয়া হোক।
মোঃ আমিনুল ইসলাম
উপজেলা – প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল – গোপালপুর