সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি: মোঃ রাকিবুল্লাহ সোহাগ
তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর ভেতরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে নতুনভাবে প্রকাশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্পিকার বলেন, “পুরো সংসদে আমরা একজন মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলামকে দেখেছি। অতীতেও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সংসদে তাকে এবং আরও দু-তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা গেছে। একাত্তরের সময় ডা. আজহার রাজবাড়ীর আরেকজন সদস্য ছিলেন।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে এসব মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ্যে দিতে অনাগ্রহী ছিলেন। তবে বর্তমানে তারা গর্বের সঙ্গে নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন, যা একটি ইতিবাচক পরিবর্তন বলে তিনি মনে করেন।
স্পিকার বলেন, “উপনেতাও নিজেকে শীর্ষ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করেছেন, যা আমি একটি ভালো লক্ষণ হিসেবে দেখি। সব মিলিয়ে জামায়াতের মধ্যে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”
তার এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।