শনিবার ভোর থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও দিনের প্রথমার্ধে রাজধানীতে বৃষ্টি হয়নি। তবে দুপুর গড়াতেই কালো মেঘে ছেয়ে যায়। কিছুক্ষণ না যেতেই শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি এবং মেঘাচ্ছন্ন হয়ে চারদিকে ‘সন্ধ্যা’র মতো অন্ধকার নেমে আসে। আড়াইটার দিকে শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি; প্রায় এক ঘন্টার বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে পানি জমে গেছে। বিকাল ৩টার দিকে কারওয়ানবাজারে হাঁটু পানি ভেঙে সাধারণ মানুষকে চলাচল করতে দেখা গেছে। এসময় বিপুল সংখ্যককে মেট্টোস্টেশনের নিচে আটকে থাকতে দেখা গেছে। এতে অনেকে পড়েন চরম ভোগান্তিতে।
এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দেশের সব বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
ময়মনসিংহ সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
তবে বর্ধিত আগামী ৫ দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতি বর্ণনায় বৃষ্টিপাতে প্রবণতা কমে তাপমাত্রা বাড়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘন্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া দপ্তর আগামী ৬ মে পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এরপর ৭ মে থেকে প্রবণতা কমে তাপমাত্রা বাড়বে।
গতকাল শুক্রবার সারাদেশের মধ্যে বেশি বৃষ্টিপাত হয় মৌলভী বাজারের শ্রীমঙ্গলে, ১৩৪ মিলিমিটার। এছাড়া রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে তুলনামূলক বেশি ভারী বৃষ্টি হয়েছি।
বিকাল ৫টার দিকে আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক বলেন, বিকাল ৩টা পর্যন্ত রাজধানীতে ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তিনটার পর থেকেও বৃষ্টি হয়েছে; তা ছয়টার পর জানা যাবে। তিনি বলেন আগামী ৬ মে পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এরপর ৭ মে থেকে প্রবণতা কমে তাপমাত্রা বাড়বে।