ছেলেদের ব্যালন ডি’অর জয়ী: হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখ)
মেয়েদের ব্যালন ডি’অর জয়ী: অ্যালেক্সিস পুতেয়াস (স্পেন ও লন্ডন সিটি লায়নেস)
ছেলেদের সেরা উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড় : লামিনে ইয়ামাল (স্পেন ও বার্সেলোনা)
মেয়েদের সেরা উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড়: ভিকি লোপেজ (স্পেন ও বার্সেলোনা)
মেয়েদের ফুটবলে সেরা কোচ: পেরে রোমেউ (বার্সেলোনা)
ছেলেদের ফুটবলে সেরা কোচ: লুইস দে লা ফুয়েন্তে (স্পেন)
মেয়েদের ফুটবলে সেরা গোলকিপার: কাতা কোল (বার্সেলোনা)
ছেলেদের ফুটবলে সেরা গোলকিপার: উনাই সিমোন (স্পেন)
সক্রেটিস পুরস্কার: বুকায়ো সাকা (ইংল্যান্ড ও আর্সেনাল)
মেয়েদের সেরা ক্লাব: বার্সেলোনা
ছেলেদের সেরা ক্লাব: পিএসজি
ছেলেদের সেরা স্ট্রাইকার: হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখ)
মেয়েদের সেরা স্ট্রাইকার: শার্লিন কোবরাল (মেক্সিকো ও পাচুয়া)

হ্যারি কেইন সত্যিই একজন ভিন্ন মানসিকতার ফুটবলার!
ফুটবল মাঠে তাঁর গোল, রেকর্ড আর পারফরম্যান্স নিয়ে অনেক কথা হয়। কিন্তু হ্যারি কেইনের গল্পের সবচেয়ে সুন্দর দিকটা হয়তো তাঁর বিনয়, ধৈর্য আর মানুষকে সম্মান করার মানসিকতা।
ক্যারিয়ারের শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। একসময় তাঁকে নিয়ে সংশয় ছিল, শুনতে হয়েছে সমালোচনা, পেরোতে হয়েছে অনেক বাধা। আর্সেনালের বয়সভিত্তিক দল থেকে বাদ পড়ার অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে টটেনহামে দীর্ঘ পথচলা—সবকিছুই তাঁকে শিখিয়েছে কীভাবে কঠিন সময়েও নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হয়। একটা সময় বড় ট্রফি না জেতার কারণে তাঁকে নিয়ে নানা কটাক্ষও হয়েছে। কিন্তু তিনি কখনো নিজের লক্ষ্য থেকে সরে যাননি।
২০২৩ সালে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার পর নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন কেইন। নতুন লিগ, নতুন পরিবেশ, নতুন প্রত্যাশা—সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে নিজের জাত চিনিয়েছেন। গোল করেছেন, রেকর্ড গড়েছেন, দলকে সামনে এগিয়ে নিতে নিজের সেরাটা দিয়েছেন। তাঁর এই যাত্রা মনে করিয়ে দেয়, প্রতিভা থাকা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেই প্রতিভাকে সাফল্যে রূপ দিতে প্রয়োজন পরিশ্রম, ধৈর্য আর মানসিক শক্তি।
আর মানুষ হিসেবে তাঁর বিনয়টাও আলাদা করে চোখে পড়ে। এত বড় স্বীকৃতি পাওয়ার পরও নিজের সাফল্যের গল্প বলতে গিয়ে শুধু নিজের কথা বলেননি; মনে রেখেছেন পরিবার, বন্ধু, কোচ, সাবেক ক্লাব, সতীর্থ ও সমর্থকদের। যাঁরা তাঁর কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন, তাঁদের অবদানও তুলে ধরেছেন। একজন খেলোয়াড়ের বড়ত্ব শুধু তাঁর ট্রফি দিয়ে নয়, তাঁর আচরণ দিয়েও বিচার করা যায়—কেইনের মধ্যে সেই দিকটা সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।

হ্যারি কেইনের গল্পটা তাই শুধু ফুটবলের নয়, এটা নিজের স্বপ্নের পেছনে লেগে থাকার গল্প। সবাই শুরুতেই সুপারস্টার হয় না, সবার পথও এক রকম হয় না। কারও সাফল্য আসে একটু দেরিতে, কিন্তু বিশ্বাস আর পরিশ্রম ধরে রাখতে পারলে সেই পথও একদিন আলোয় ভরে উঠতে পারে।
আপনার চোখে হ্যারি কেইনের সবচেয়ে বড় গুণ কোনটি—তাঁর গোল করার দক্ষতা, নেতৃত্ব, নাকি এই অসাধারণ বিনয়? আর কেইনের এই যাত্রা থেকে তরুণ ফুটবলারদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা কী হতে পারে? কমেন্টে জানাবেন।