শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
আজকের শীর্ষ সংবাদ:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ২০ আগস্ট সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদ বিরোধী বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের খুনি হাসিনাকে দিল্লিতে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অবমাননা নতুন বৃষ্টি বলয়ের প্রভাবে রাজধানীতে ভোর থেকেই ঝুম বৃষ্টি ভারতে ফের আন্দোলন, অনশনে ছাত্রনেতা, সমর্থন ককরোচদের চাঁদে আঘাত হানতে যাচ্ছে স্পেসএক্সের রকেট চুক্তির আশায় ইরানে হামলা বাতিল করলেন ট্রাম্প দেশজুড়ে কড়া সতর্কতা জারি করল পুলিশ সদর দপ্তর ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় যৌথ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যেকোনো উপায়ে যুদ্ধ জিততে চান ট্রাম্প

খুনি হাসিনাকে দিল্লিতে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অবমাননা

  • সময়: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮.৫১ এএম
  • ১৬ জন

ভারতে পলাতক মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ওই অনুষ্ঠানে হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গারমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে আগেই ভারত সরকারকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও এ ধরনের আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা ঢাকা গভীর দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করেছে।

এতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাংলাদেশের জনগণ যখন শহীদদের স্মরণ করছে, ঠিক সেই দিন ভারতীয় মাটিতে শেখ হাসিনার এ ধরনের গণমাধ্যমে উপস্থিতি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গুরুতর অসম্মান।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিশু-সহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড অস্বীকার করে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা ইতিহাসের গতিপথ উল্টে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। তবে বাংলাদেশের জনগণ অতীতের মতো এবারও এমন প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা করবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশের জনগণ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ যে দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকারে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনোই অন্য কোনো রাষ্ট্রের অধীনস্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে না। একই সঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনা ও তার সহযোগীদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আর কোনো স্থান নেই।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক, পারস্পরিক লাভজনক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ।

তবে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে দিতে বাংলাদেশের একাধিক অনুরোধের বিষয়ে ভারত সরকারের কাছ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বরং তাকে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে নয়াদিল্লি বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। এটি দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর।

আপনার সামাজিক মাধ্যমে খবরগুলো শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2026 © All rights reserved by BUD News 24