বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
আজকের শীর্ষ সংবাদ:
ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ উলিপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি: ‘দ্রুত গতিতে বাইপাস রোডের কাজ শুরু করা হোক’ শ্যামনগরে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে নিখোঁজ ১১ বছরের শিশু ইলা, উৎকণ্ঠায় পরিবার এ বছরও হচ্ছে না স্থানীয় সরকারের তিন নির্বাচন হাদি হত্যায় কারা জড়িত তা স্পষ্ট করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: মাছুমা হাদি এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ৪৮ ঘণ্টা পেরোলেও ঠাকুরগাঁও সীমান্তে মিলছে না পুশইনের সমাধান এনড্রিকের ঝলকে জয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করল ব্রাজিল আজ শুরু হচ্ছে সংসদ অধিবেশন প্রস্তুতি ম্যাচে হন্ডুরাসকে ২-০ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রা

ফের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা ভোজ্যতেলের

  • সময়: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ২.১১ পিএম
  • ২৬৪ জন

লিটারে ৮ টাকা বাড়ানোর পরও বাজারে সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট এখনো রয়ে গেছে। দুই, তিন ও পাঁচ লিটারের তেল কিছুটা সরবরাহ করলেও এক লিটারের তেল এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত মূল্যে মিলছে না তেল। এতে ক্রেতার পণ্যটি কিনতে এখনো ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন-সরকারিভাবে ভোজ্যতেলের দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে কোম্পানিগুলো। যে কারণে এখনো বাজারে সরবরাহ করছে না।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর খুচরা বাজার ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে লিটারে ৮ টাকা বাড়িয়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৭৫ ও খোলা সয়াবিনের দাম ১৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে রাজধানীর খুচরা বাজারে এই দামে তেল নেই। খোলা সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকা। দু-এক দোকানে আগের কেনা এক লিটারের বোতল তেল মিললেও বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।

রাজধানীর জিনজিরা কাঁচাবাজারের মুদি বিক্রেতা সোহেল বলেন, সরকার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। পাঁচ লিটারের তেল ৮৩৭ টাকা কিনে ৮৫২ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। দুই দিক থেকে লাভ করছে কোম্পানিগুলো। তিন লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৫১৬ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বিক্রি করতে হচ্ছে ৫২৫ টাকায়। খোলা সয়াবিন লিটারপ্রতি ১৮৮ টাকায় ডিলারদের কাছে কিনতে হয়। বিক্রি করতে হচ্ছে ১৮৫ টাকায়। পাম অয়েল ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিনতে হচ্ছে ১৭১ টাকায়।

তিনি জানান, ডিলাররা এখনও তেলের সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করেনি। সরকারিভাবে মূল্য আরও বাড়ানার জন্য এখনও বাজারে সংকট সৃষ্টি করে রেখেছে। এক লিটারের তেল এখনও ডিলাররা দেননি। আর এখন লিটারপ্রতি কোম্পানিগুলো আমাদের ৩ টাকা লাভ করার সুযোগ দিয়েছে। যা আগে ৪-৫ টাকা ছিল। এতে ভোক্তার সঙ্গে আমাদেরও ঠকাচ্ছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, সরকারিভাবে তেলের দাম বাড়িয়ে বাজারে সরবরাহ ঠিক করার কথা বলেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা। কিন্তু দাম বাড়লেও ক্রেতারা তেল পাচ্ছেন না। পেলেও নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি দরে কিনতে হচ্ছে। আমরা দেখেছি বিক্রেতারা এখনো তেল পাচ্ছেন না। এই অবস্থায় সরকারসংশ্লিষ্টদের বাজারসহ কোম্পানিগুলোর মিলগুলোতে কঠোরভাবে তদারকি করা দরকার। অনিয়ম পেলে শাস্তির আওতায় আনা দরকার।

লিটারে ৮ টাকা বাড়ানোর পরও বাজারে সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট এখনো রয়ে গেছে। দুই, তিন ও পাঁচ লিটারের তেল কিছুটা সরবরাহ করলেও এক লিটারের তেল এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত মূল্যে মিলছে না তেল। এতে ক্রেতার পণ্যটি কিনতে এখনো ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন-সরকারিভাবে ভোজ্যতেলের দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে কোম্পানিগুলো। যে কারণে এখনো বাজারে সরবরাহ করছে না।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর খুচরা বাজার ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে লিটারে ৮ টাকা বাড়িয়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৭৫ ও খোলা সয়াবিনের দাম ১৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে রাজধানীর খুচরা বাজারে এই দামে তেল নেই। খোলা সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকা। দু-এক দোকানে আগের কেনা এক লিটারের বোতল তেল মিললেও বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।

রাজধানীর জিনজিরা কাঁচাবাজারের মুদি বিক্রেতা সোহেল বলেন, সরকার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। পাঁচ লিটারের তেল ৮৩৭ টাকা কিনে ৮৫২ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। দুই দিক থেকে লাভ করছে কোম্পানিগুলো। তিন লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৫১৬ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বিক্রি করতে হচ্ছে ৫২৫ টাকায়। খোলা সয়াবিন লিটারপ্রতি ১৮৮ টাকায় ডিলারদের কাছে কিনতে হয়। বিক্রি করতে হচ্ছে ১৮৫ টাকায়। পাম অয়েল ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিনতে হচ্ছে ১৭১ টাকায়।

তিনি জানান, ডিলাররা এখনও তেলের সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করেনি। সরকারিভাবে মূল্য আরও বাড়ানার জন্য এখনও বাজারে সংকট সৃষ্টি করে রেখেছে। এক লিটারের তেল এখনও ডিলাররা দেননি। আর এখন লিটারপ্রতি কোম্পানিগুলো আমাদের ৩ টাকা লাভ করার সুযোগ দিয়েছে। যা আগে ৪-৫ টাকা ছিল। এতে ভোক্তার সঙ্গে আমাদেরও ঠকাচ্ছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, সরকারিভাবে তেলের দাম বাড়িয়ে বাজারে সরবরাহ ঠিক করার কথা বলেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা। কিন্তু দাম বাড়লেও ক্রেতারা তেল পাচ্ছেন না। পেলেও নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি দরে কিনতে হচ্ছে। আমরা দেখেছি বিক্রেতারা এখনো তেল পাচ্ছেন না। এই অবস্থায় সরকারসংশ্লিষ্টদের বাজারসহ কোম্পানিগুলোর মিলগুলোতে কঠোরভাবে তদারকি করা দরকার। অনিয়ম পেলে শাস্তির আওতায় আনা দরকার।

আপনার সামাজিক মাধ্যমে খবরগুলো শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2026 © All rights reserved by BUD News 24