বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
আজকের শীর্ষ সংবাদ:
ধানমন্ডির বাণিজ্যিক ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে ধানমন্ডিতে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় আ.লীগের কয়েকজন সন্ত্রাসী চিহ্নিত আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম, সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নয় রেহানা মার্কিন হামলায় ওমান উপসাগরে ডুবল ইরানি ট্যাংকার ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফা জনগণের দাবি আদায়ে সরকার বাধা দিলে ৬ দফার লংমার্চ ১ দফায় পরিণত হবে শাপলা চত্বরে ১১ দলের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ শুরু বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান, বেড়েছে রণ পরিকল্পনার পরিধি

উঠছে না আবাদের খরচ, সিন্ডিকেটের থাবা ধানের বাজারে

  • সময়: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৮.৪০ এএম
  • ৯২ জন
সংগ্রহীত ছবি

বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে, ধানে লোকসান উত্তরাঞ্চলে।

রাজশাহীসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও কৃষকদের মুখে হাসি নেই। উৎপাদন ভালো হলেও বাজারে ধানের দাম কম থাকায় লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের। উৎপাদন খরচের তুলনায় ধানের দাম কম হওয়ায় হতাশ কৃষকরা।

কৃষক ও কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমিতে বোরো আবাদে খরচ হয়েছে প্রায় ২৬ থেকে ২৭ হাজার টাকা। অথচ বাজারে ধান বিক্রি করে কৃষক পাচ্ছেন ২৪ থেকে ২৫ হাজার টাকার মতো। ফলে প্রতি বিঘায় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে।

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কৃষক জয়নাল আবেদিন জানান, সাড়ে তিন বিঘা জমিতে বোরো চাষ করতে তার মোট খরচ হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার টাকা। কিন্তু বর্তমান বাজারদরে ধান বিক্রি করলে তিনি পাবেন প্রায় ৯১ হাজার টাকা। এতে তার লোকসান দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১২ হাজার টাকা।

কৃষকদের অভিযোগ, বড় বড় কোম্পানির এজেন্টরা মোকামগুলোতে সিন্ডিকেট করে ধানের দাম নির্ধারণ করছে। ফলে কৃষক বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করছেন। আগে স্থানীয় চাতাল মালিকরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনলেও এখন অধিকাংশ চাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বড় কোম্পানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন চাষিরা।

নওগাঁর কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কয়েকটি বড় কোম্পানির দখলে চালের বাজার চলে যাওয়ায় ছোট চাতাল ব্যবসায়ীরা টিকতে পারেননি। এতে কৃষকেরা এখন মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন।

কৃষকদের দাবি, ডিজেল, সার, সেচ ও শ্রমিকের খরচ বাড়লেও ধানের দাম বাড়েনি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষক আব্দুল খালেক বলেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও ধান বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ১ হাজার ১২০ টাকা মন দরে।

এদিকে সরকারিভাবে ১ হাজার ৪৪০ টাকা মন দরে ধান কেনা শুরু হলেও সাধারণ কৃষকরা খাদ্য গুদামে সহজে ধান বিক্রি করতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের অভিযোগ, সেখানে সিন্ডিকেট ও নানা জটিলতার কারণে প্রকৃত চাষিরা সুবিধা পাচ্ছেন না।

তবে খাদ্য বিভাগের দাবি, তারা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকেই ধান কিনতে চায়। অন্যদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, উত্তরাঞ্চলে এবার বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। সরকারের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম জোরদার হলে বাজারে ধানের দাম বাড়তে পারে বলে আশা তাদের।\

 

সূত্র: যুগান্তর

আপনার সামাজিক মাধ্যমে খবরগুলো শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2026 © All rights reserved by BUD News 24