বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
আজকের শীর্ষ সংবাদ:
শ্যামনগরে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে নিখোঁজ ১১ বছরের শিশু ইলা, উৎকণ্ঠায় পরিবার এ বছরও হচ্ছে না স্থানীয় সরকারের তিন নির্বাচন হাদি হত্যায় কারা জড়িত তা স্পষ্ট করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: মাছুমা হাদি এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ৪৮ ঘণ্টা পেরোলেও ঠাকুরগাঁও সীমান্তে মিলছে না পুশইনের সমাধান এনড্রিকের ঝলকে জয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করল ব্রাজিল আজ শুরু হচ্ছে সংসদ অধিবেশন প্রস্তুতি ম্যাচে হন্ডুরাসকে ২-০ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রা আমরা তেল বিক্রি করতে না পারলে এই অঞ্চলের কেউই পারবে না: ইরান বিএসএফের পুশইনের একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির সঙ্গে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন সীমান্তবাসী

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার): নির্বাচনের ইতিহাস ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিশ্লেষণ

  • সময়: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ৩.৪৬ পিএম
  • ২৬৯ জন
সাজ্জাদ হোসেন, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইল-৬ সংসদীয় আসন নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১৩৫ নম্বর আসন। নির্বাচনী ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, এই আসনটি ঐতিহাসিকভাবে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এলাকা, যেখানে বিভিন্ন সময়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো জয়লাভ করেছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক ধারা
১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের জন্য এই আসনটি তৈরি করা হয়েছিল পরবর্তীতে এটি পূনবিন্যস্ত করা হয়। শুরু থেকেই এখানে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায়।

বিশেষত, ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে পর্যন্ত এই আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাত্র একবার জয়ী হয়েছিল (১৯৭৩ সালে)। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই আসনে পাঁচবার জয়লাভ করে, যা এই অঞ্চলে তাদের শক্তিশালী অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়।

বিএনপি নেতা গৌতম চক্রবর্তী ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আব্দুল বাতেনের কাছে পরাজিত হন। তবে এর পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে রাজনৈতিক দৃশ্যপট পরিবর্তন হয়েছে।এরপরের বেশ কয়েক নির্বাচনে আওয়ামীলীগ আসনটি পেয়েছে৷

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০২৬), এই আসনের নির্বাচনে মোট ৭ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন।।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি): রবিউল আওয়াল লাভলু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই দলটি আসনটি ফিরে পেতে চায় এবং ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক গণসংযোগ করছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ: মোঃ আখিনুর মিয়া হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

জাতীয় পার্টি (এরশাদ): মোহাম্মদ মামুনুর রহিম লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছেন।

জাতীয় পার্টি – জেপি (আনোয়ার হোসেন মঞ্জু): তারেক শামস খান বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: এ.কে.এম আব্দুল হামিদ (ডাঃ) দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী: মোঃ জুয়েল সরকার হরিণ প্রতীক এবং মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম (ব্যারিস্টার) মোরগ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

অতীতে এই আসনটি বিএনপির ‘দুর্গ’ হিসেবে পরিচিত হলেও, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয়ের জন্য জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে, নির্বাচনের ফলাফল শেষ পর্যন্ত ভোটারদের মন-মানসিকতা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর নির্ভর করবে।

আপনার সামাজিক মাধ্যমে খবরগুলো শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2026 © All rights reserved by BUD News 24