চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা আজ মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে। এবার ৯টি সাধারণ, একটি মাদরাসা ও একটি কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। সারাদেশে তিন হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন আয়োজন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো।
সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন এসব তথ্য জানান। লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। কোথাও কোথাও দিনে ৮-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় গরম ও অন্ধকারে পড়াশোনায় সমস্যার কথা জানা গেছে। তবে পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সকাল ৮টা থেকেই কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রশ্নপত্র ফাঁস বা সাইবার অপরাধসহ যেকোনো অনিয়ম রোধে কঠোর নজরদারির কথা জানান মন্ত্রী। এ লক্ষ্যে মনিটরিং সেল গঠন এবং প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বিত তদারকি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
ডিসেম্বরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, কোর্স সম্পন্ন হলেই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানানো হয়নি।
লিখিত বক্তব্যে মাহ্দী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘পরীক্ষা ভীতি’ কমাতে সরকার কাজ করছে। অভিভাবকদেরও অযথা উদ্বিগ্ন না হয়ে সন্তানদের মানসিকভাবে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়। পরীক্ষার হলে শান্ত ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।