গুলি, রাবার বুলেট, টিয়ার শেল বা কমপক্ষে নির্দয় লাঠিপেটা— বিশেষ করে শেখ হাসিনার শাসনামলের পুলিশ বললেই দেশবাসীর মানসপটে এমন দৃশ্যই
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিল্লিকে পাঠিয়েছে ঢাকা। বৃহস্পতিবার
গণ-অভ্যুত্থানে ভারতে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা দেশের ১৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে
জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে অসহযোগ আন্দোলন ঘিরে ৪ আগস্ট দেশব্যাপী ব্যাপক সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এরইমধ্যে সোমবার (৫ আগস্ট)
ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও গণহত্যা চালানোর জন্য শেখ হাসিনার নির্দেশ তার টেলিফোন কথোপকথন রেকর্ডে পাওয়া গেছে। ১৬ জুলাই থেকে ৪
শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এবং তাদের পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে থাকা সরকারি প্লট বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্লটগুলো
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। ছয় মাস মেয়াদি এই কমিশন আগামী
হামাস আগে থেকে নির্ধারিত জিম্মি চুক্তির সময়সূচি বাস্তবায়নে ‘প্রতিশ্রুত’ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীর সিনিয়র মুখপাত্র সামি আবু জুহরি।
জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ঢাকার নিম্ন আদালতে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাচকালে বিক্ষোভকারীদের হত্যা ও তাদের লাশ গুম করতে নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন পতিত স্বৈরাচার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ