বিদ্যমান আইনে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন (প্রতিস্বাক্ষরে) নিয়ে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। কিন্তু জুলাই সনদ অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর সে ক্ষমতা
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতারা শুক্রবার বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিতেন। বাস্তবে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছে ছাড়া কিছুই হতো না। বিভিন্ন সময়ে পছন্দমতো প্রধান বিচারপতি
জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করলেন বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। এই সনদকে ঐতিহাসিক অর্জন বলে মন্তব্য করেছেন তারা। যদিও
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হবেই। উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। তার জন্য যা যা করতে হয়,
রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত
রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এর চূড়ান্ত ভাষ্য পাঠিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। মঙ্গলবার রাতে কমিশনের পক্ষ থেকে দলগুলোর কাছে
গণভোটের জটে পড়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আয়োজনের পদ্ধতিগত উপায় জানা না থাকাই এ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টির মূল কারণ। অন্যদিকে ফেব্রুয়ারির
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট বা নিরাপদে প্রস্থানের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে
সারাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি ও শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীরা। তিন দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান