ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বর্ষণে দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
এদিকে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট ও রংপুরের চরাঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চলগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই নাজুক হয়ে উঠছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে থাকলেও তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া জানান, ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলের কারণে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় সাময়িক বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাউবো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী দুই থেকে তিন দিন ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
‘ত্রাণ নয়, পানি বন্ধ চাই’
তিস্তা তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের গেট খুলে দেওয়াকে বন্যা পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক শিক্ষক মহিরুদ্দিন বলেন, “ভারত গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দিয়ে আমাদের পানিতে ভাসাচ্ছে। আমরা ত্রাণ চাই না, চাই উজানের পানি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা।”
তিস্তাতীরের উত্তর গড্ডিমারী গ্রামের বাসিন্দা মোন্তাজ মিয়া বলেন, নদীতীরবর্তী এলাকার সড়কগুলো ইতোমধ্যে তলিয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
পাউবোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা সার্বক্ষণিকভাবে নদীর পানি, বাঁধ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে ডিমলা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের প্রায় এক হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান জানান, হঠাৎ পানি বৃদ্ধিতে অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে উঁচু স্থানে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
]]>সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টার পেছনে একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিজিবির টহলের সময়সূচি ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে বিএসএফকে সহায়তা করা হচ্ছে। এমনকি সীমান্তের দুর্বল ও সুবিধাজনক পথ চিহ্নিত করে দেওয়ার কাজও করছে কিছু ব্যক্তি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, একজনকে পুশইনে সহায়তা করতে পারলে দালালদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত এলাকায় গিয়ে জানা যায়, সীমান্তঘেঁষা নদীপথগুলো এখন পুশইনের নতুন রুট হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। কাঁটাতারের বেড়া ও স্থলপথে নজরদারি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাতের অন্ধকার কিংবা ভোরের সময় নদীপথ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর কৌশল নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়দের মতে, সীমান্ত এলাকার আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিছু মানুষকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এসব কাজে যুক্ত করা হচ্ছে। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা আরও সংগঠিত রূপ পাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সীমান্ত এলাকায় পুশইন কার্যক্রমে কিছু বাংলাদেশি নাগরিকের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিএসএফের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে এসব কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের চেষ্টা প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। সীমান্তজুড়ে নজরদারি বৃদ্ধি, টহল জোরদার এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
বিজিবি জানান,, বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো পুশইনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
]]>শিবগঞ্জ সীমান্তে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অভিযানে ভারত থেকে চোরাই পথে আনা বিপুল পরিমাণ ট্রাকের যন্ত্রাংশ, পাথরবোঝাই একটি ট্রাক এবং এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২০ জুন রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার এডি শেখ মনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে সোনামসজিদ বিওপি’র একটি টহলদল অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে সীমান্ত পিলার ১৮৫/১-এস থেকে প্রায় ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রাম এলাকায় একটি পাথরবোঝাই ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট ১৫-৫১৯৮) তল্লাশি করা হয়। এ সময় ট্রাকে বহন করা ভারতীয় পাথরের মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৩২০ পিস ভারতীয় ট্রাকের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ট্রাকের সঙ্গে থাকা মো. মাহফুজুর রহমান (২৩) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট এলাকার বাজিতপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।
বিজিবি আরও জানায়, উদ্ধারকৃত ৩২০ পিস ট্রাকের যন্ত্রাংশ, ১০ টন ভারতীয় পাথর এবং ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিসহ জব্দকৃত মালামাল আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত ১৯ জুন মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) একটি পরিত্যক্ত পুকুরে অভিযান চালিয়ে ২০৭ পিস ভারতীয় যানবাহনের যন্ত্রাংশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বিজিবি সকল ধরনের চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
]]>ঠাকুরগাঁও জেলার মুন্সিরহাটে নির্ধারিত পয়েন্টের বাইরে লিচুর গাড়ি লোড দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লিচুর মৌসুম উপলক্ষে মুন্সিরহাট থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লিচু পরিবহনের জন্য প্রতিদিন অসংখ্য ট্রাক ও পিকআপে লোডিং কার্যক্রম চলে। বুধবার দুপুরে নির্ধারিত পয়েন্টের বাইরে একটি লিচুবাহী গাড়িতে মালামাল লোড দেওয়া হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক এর প্রতিবাদ জানিয়ে নির্ধারিত পয়েন্টে লোডিং কার্যক্রম পরিচালনার দাবি করেন।
এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বাজার কমিটির সদস্য ও এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত নিয়ম উপেক্ষা করে পয়েন্টের বাইরে লিচু লোড দেওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছিল। এরই জেরে বুধবারের এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।
লিচুর ভরা মৌসুমে মুন্সিরহাট অঞ্চলে প্রতিদিন ব্যাপক পরিমাণ লিচু দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সমন্বয়ে এ ধরনের বিরোধ দ্রুত সমাধান হবে এবং লিচু পরিবহন কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।
]]>কুড়িগ্রাম জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল উপজেলা উলিপুর। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াত ব্যবস্থার প্রসার ঘটলেও, পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলোতে তীব্র যানজট এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে এবং শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে উলিপুরের সর্বস্তরের মানুষের এখন প্রধান ও প্রাণের দাবি—‘উলিপুর বাইপাস রোড’ নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে শুরু করা।
বর্তমানে উলিপুর পৌর শহরের কেন্দ্রবিন্দু দিয়ে ভারী যানবাহন, ঢাকাগামী দূরপাল্লার বাস, ট্রাক এবং স্থানীয় ধীরগতির যানবাহন (যেমন- ইজিবাইক, রিকশা) একই সাথে চলাচল করে। ফলে প্রতিদিন বিশেষ করে গুণাইগাছ মোড়, সরদারপাড়া, এবং মেইন বাজার এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।সময় অপচয়: মাত্র ১০ মিনিটের পথ পার হতে চালক ও যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে আটকে থাকতে হচ্ছে।দুর্ঘটনার ঝুঁকি: সরু সড়ক দিয়ে বড় বড় ট্রাক ও লরি যাতায়াত করায় প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।জরুরি সেবা ব্যাহত: যানজটের কারণে মুমূর্ষু রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না।
কেন বাইপাস রোড এখন সময়ের দাবি?
উলিপুরের সচেতন নাগরিক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মতে, শহরের ভেতর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ না করলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। একটি সুপরিকল্পিত বাইপাস রোড নির্মিত হলে:
ভারী যানবাহন ডাইভারশন: দূরপাল্লার বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকগুলো শহরকে স্পর্শ না করেই মূল মহাসড়কে যুক্ত হতে পারবে।
ব্যবসায়িক গতিশীলতা: চিলমারী নদীবন্দর ও রমনা ঘাটের সাথে যোগাযোগের দূরত্ব ও সময় কমে আসবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পৌর শহরের সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা: শহরের ভেতরের সড়কগুলো যানজটমুক্ত হলে সাধারণ মানুষের হাঁটাচলা ও যাতায়াত নিরাপদ হবে।
”শহরের ভেতর দিয়ে যখন বড় ট্রাকগুলো যায়, তখন পুরো রাস্তা জ্যাম হয়ে থাকে। আমরা সময়মতো অফিস বা বাজারে যেতে পারি না। উলিপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি এই বাইপাস রোড। আমরা চাই সরকার দ্রুত এর কাজ শুরু করুক।”
স্থানীয় রাজনীতিবি সুধী সমাজ ব্যবসায়ী মহল জানান বাইপাস নোটটি না থাকার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে একজন রুগী নিয়ে
”অ্যাম্বুলেন্স কুড়িগ্রাম বা রংপুর মেডিকেলে যাওয়ার সময় শহরের ভেতরেই অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। বাইপাস রোড হলে রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হতো।”
— আলী হাসানসহ অনেক কলেজ শিক্ষার্থীরা যানান অতি দ্রুত বাইপাস রোডটির কাজ শুরু করা আবশ্যক বলে তারা জানেন।
দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক সংগঠন বাইপাস রোডের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করে আসছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বাইপাস সড়কের পরিকল্পনা ও প্রাথমিক সমীক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চললেও দৃশ্যমান কাজের অগ্রগতি এখনো ধীরগতির।
উন্নয়নের এই ধারাকে বেগবান করতে এবং উলিপুর পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও যানজটমুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে, জমি অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক জটিলতাগুলো দ্রুত নিরসন করে অবিলম্বে বাইপাস রোডের বাস্তবায়ন কাজ শুরু করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি জোর আকুতি জানিয়েছেন উলিপুরের সর্বস্তরের জনগণ।
]]>সোমবার (৮ জুন) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে উপজেলার ভেটখালী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে সে নিখোঁজ হয়। ঘটনার পর একদিন অতিবাহিত হলেও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জয়াখালী গ্রামের বাসিন্দা নাজমুল হোসেন ও সারমিন সুলতানা মুক্তা দম্পতির কন্যা নাজমিন নাহারিন ইলা প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে ভেটখালী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির সন্ধান না মেলায় পরিবারের সদস্যরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
নিখোঁজ শিশুটির পরিবার আশঙ্কা করছে, অজ্ঞাতপরিচয় কোনো ব্যক্তি বা চক্র তাকে অপহরণ করে নিয়ে যেতে পারে। এ ঘটনায় পরিবারটি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
নিখোঁজ ইলার পিতা নাজমুল হোসেন বলেন, “সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিল আমার মেয়ে। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নিয়েছি। আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। প্রশাসনের কাছে দ্রুত তাকে উদ্ধারের অনুরোধ জানাচ্ছি।”
এদিকে শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
নিখোঁজ শিশুটির কোনো সন্ধান পেলে নিম্নোক্ত নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে— ০১৯১৬-৪৬৫২৮৩ (পিতা) এবং ০১৭৪৬-৯১৯৫১৫ (মামা)।
এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধারে প্রশাসনের তৎপরতা কামনা করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
]]>প্রায় ৪৮ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পতাকা বৈঠকের পরেও কোনো সমাধান মেলেনি। ফলে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
শনিবার (৭ জুন) বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পার হলেও দুই দফা পতাকা বৈঠকের পরও কোনো সমাধান না হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা, উদ্বেগ ও মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে।
জানা গেছে, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১১ জনকে ঠাকুরগাঁওয়ের মশালগাঁও সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাৎক্ষণিকভাবে ওই পুশইন প্রতিহত করলে তারা দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখার কাছে অবস্থান নিতে বাধ্য হন। এরপর থেকেই খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।
পুশইনের শিকারদের মধ্যে রয়েছেন ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৪ জন শিশু। তাদের মধ্যে একজন নারী ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং একজন শিশু প্রতিবন্ধী। প্রচণ্ড রোদ, বৃষ্টি ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন-রাত কাটাতে হচ্ছে তাদের। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার অভাবে পরিস্থিতি ক্রমশই সংকটা পণ্য ও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রোজিনা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানায়, বাবা-মায়ের সঙ্গে ভারতের কলকাতায় বসবাস করছিল সে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করার পর প্রায় ১২ দিন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ঘোরানোর পর শেষ পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও সীমান্তে এনে ছেড়ে দেয়। দ্রুত নিজের বাড়িতে ফিরতে চাইলেও এখন সে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন গুনছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্তের জমির আইলে বসে থাকা নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। মানবিক কারণে আশপাশের গ্রামবাসীরা শুকনো খাবার ও পানি পৌঁছে দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকায় শিশুদের মধ্যে আতঙ্ক ও অসুস্থতার লক্ষণও দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি ও মানবাধিকারের তোয়াক্কা না করেই বিএসএফ বাংলাদেশি নাগরিকদের জোরপূর্বক সীমান্তে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তারা দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান দাবি করেন।
৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, ‘বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে অবৈধ পুশইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী যথাযথ প্রমাণসহ বাংলাদেশি নাগরিকদের হস্তান্তর করা হলে আমরা গ্রহণ করব। তবে কোনো ধরনের অবৈধ পুশইন গ্রহণ করা হবে না।’
এদিকে, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ধরে শূন্যরেখায় আটকে থাকা নারী, শিশু ও অসহায় মানুষের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার নয়, এটি এখন একটি মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। দ্রুত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নিয়ে তাদের নিরাপদ সমাধান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
]]>দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) অবৈধ পুশইনের একাধিক চেষ্টা চালালেও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর অবস্থানের কারণে সেগুলো ব্যর্থ হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরাও নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন।
বিজিবি জানিয়েছে, লালমনিরহাট সীমান্ত থেকে ৩২ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮ জন এবং পাটগ্রাম সীমান্ত থেকে ১০ জনকে শেষ পর্যন্ত ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ। এছাড়া পঞ্চগড় সীমান্তের শূন্যরেখায় এখনো ১০ ভারতীয় নাগরিক অবস্থান করছেন।
মেহেরপুরের গাংনী সীমান্তে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ সাতজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা স্থানীয় জনগণ ও বিজিবির তৎপরতায় প্রতিহত করা হয়। একইভাবে কুষ্টিয়া, দিনাজপুরের হিলি, সিলেট ও শেরপুর সীমান্তেও পুশইনের একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
হিলি সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন গ্রাম পুলিশ সদস্যরা। অন্যদিকে সীমান্তবাসীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে টহল ও নজরদারিতে অংশ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবির কর্মকর্তারা বলেছেন, কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা জোরপূর্বক পুশইন সফল হতে দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
]]>শনিবার (৬ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)।
বিজিবি জানায়, গত ৫ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৩৪৯/৭-এস এর কাছে বিএসএফ ১১ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের শনাক্ত করে এবং বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়।
প্রতিরোধ করা ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন পুরুষ, চারজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে। বর্তমানে তারা ভারতীয় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৫০ গজ অভ্যন্তরে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তিরা জানান, তারা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দমদম এলাকায় বসবাস করতেন। গত ২৬ মে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের হেফাজতে নেয় এবং একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখে, যেখানে আরও প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন অবস্থান করছিলেন। পরে তাদের বিভিন্ন দলে ভাগ করে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তাদের দাবি, পুলিশের একটি গাড়িতে করে ৮৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বহরগাঁও ক্যাম্পে নেওয়ার পর একদিন সেখানে রাখা হয়। পরে ৬ জুন রাতের দিকে সীমান্তের দিকে পাঠানো হলে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়।
এ বিষয়ে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন(৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। এদিকে অবৈধ পুশইন প্রতিরোধে গণমাধ্যম, স্থানীয় প্রশাসন এবং সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে বিজিবি।
]]>ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই থেকে তিনদিন পরপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাবে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হবে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চিকিৎসকদের আশঙ্কা অনুযায়ী এবার ডেঙ্গুর ধরন আরও জটিল হতে পারে এবং আক্রান্তদের মধ্যে রক্তক্ষরণের ঝুঁকিও থাকতে পারে। তাই সবাইকে আগে থেকেই সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, সাম্প্রতিক জরিপে দক্ষিণ সিটির ৬৩টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গু ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২৮টি ওয়ার্ডকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জনগণ ও সিটি করপোরেশনকে সমানভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণের সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
]]>